একতরফা নির্বাচনই অসাংবিধানিক: ড: কামাল হোসেন

ড. কামাল হোসেন

ড. কামাল হোসেন বাংলাদেশের সংবিধানপ্রণেতা হিসেবে পরিচিত। স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালে আইনমন্ত্রী এবং ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। জাতিসংঘের স্পেশাল র্যাপোর্টিয়ারের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কর্মকান্ডে সক্রিয় রয়েছেন। গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিও তিনি। ছয়জন বিশিষ্ট নাগরিকসহ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সম্প্রতি সাক্ষাতের পূর্বাপর অভিজ্ঞতা ও বর্তমানের পরিস্থিতি, রাজনৈতিক সঙ্কট এবং উত্তরণের উপায় সম্পর্কে আলোকিত বাংলাদেশের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। নতুন ঢাকা ডাইজেষ্ট এর পাঠকদের জন্য সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো:

শেষ খেলাটি খেলবেন এরশাদ — রনি

দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ শেষ খেলাটি খেলবেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি। সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সুদীর্ঘ স্টাটাসে রনি বলেন, “আমার কেনো জানি মনে হচ্ছে- এবারও শেষ খেলাটি খেলবেন জনাব হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদ। ঠিক যেমনটি খেলেছিলেন গত বিএনপি সরকার আমলের শেষ দিকে কিংবা ১৯৯৬ সালের আওযামী লীগ সরকারের শেষ সময় …”

কী হবে এখন?

ইনাম আহমদ চৌধুরী

ঘোষণা করা হয়েছে, এখন নির্বাচনের কাল। তফসিলও হয়েছে প্রজ্ঞাপিত। আর খবরের কাগজে শীর্ষ সংবাদ—‘নিষিদ্ধ বিএনপি অফিস। ভোররাতে তছনছ। মুখপাত্র রিজভী কারাগারে।’ যে লোকটা কয়েক সপ্তাহ ধরে এ অফিসের কক্ষে মূলত অন্তরীণই ছিলেন, র‍্যাব-পুলিশের কড়া নজরদারিতে, তাঁর বিরুদ্ধেই অভিযোগ। রাজপথে বাস পোড়ানো, অগ্নিসংযোগ ইত্যাদি দুষ্কর্মের হোতা হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার। এবং এই সুযোগে অফিস, কাগজপত্র, সরঞ্জাম—সব তছনছ আর নিষিদ্ধ করে দেওয়া হলো পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়…

দ্রোহের শিল্পকলা

নানা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক সঙ্কটের মুহূর্ত আমরা অতিক্রম করেছি এযাবৎ। একটা ভূখণ্ডের ক্রান্তিকালের মুহূর্তে অন্যায়ের প্রতিবাদে এগিয়ে আসেন প্রায় সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষ। ’৪৩-এর দুর্ভিক্ষ, ’৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, ’৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলন, আর আজকের শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে গণজাগরণ – এত সব পরিবর্তনের মাঝ দিয়ে বদলে গেছে…

কেউ ভাল নেই

কেউ ভাল নেই ভাল লাগা মৃতের কংকাল, স্পর্শের অতীত ! দ্যাখো-চাঁদে আর চালাকিতে ফেটে গেছে ছাদ সবুজ পথ দৌড়ুচ্ছে ঠিকই- দেখছে না কেউ মধ্যরাতে বিভৎস ক্ষুরের ধ্বণি ঘুম ভেঙে দেয় অবিকল দেখায় সাপ পরাবাস্তব সপে । কেউ ভাল নেই ভালগুলি…

স্বপ্নহীন

বিশ্বাসের ভাঙ্গা হাঁতুড়ি দিয়ে ওরা প্রতিনিয়রত আঘাত করে আমার শিল্পবোধে, ফেটে চৌচির হয় বিবেকের ফুলগুলো, যন্ত্রণায় কাঁতরাতে কাঁতরাতে হয়ে উঠে অন্ধ. ফিরে আসে, হয়তো আবার মেলতে চায় পাখা নীলাকাশে। গতরাতে গভীর মানবিকতায় ডুব দিয়েছিলাম— আচানক মাথায় আঘাত পেয়ে চোখ খুলে…