Month: January 2014

মহানবী (সা:) এর আতিথেয়তা

masjid-nabawi

ইসলামে অতিথি আপ্যায়নের গুরুত্ব অত্যধিক। অতিথি আপ্যায়নের ব্যাপারে ইসলাম তার অনুসারীদের উৎসাহিত ও উদ্বুদ্ধ করেছে ব্যাপকভাবে। এর মধ্য দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ নিহিত রয়েছে। বাড়িতে মেহমান তথা কোনো অতিথি এলে প্রিয় নবী সা: এবং তাঁর সাহাবিরা অত্যন্ত খুশি হতেন এবং সাধ্যমতো আপ্যায়ন করতেন। নিজে না খেয়ে মেহমানকে তৃপ্তি সহকারে…

কুড়িগ্রামে এমআইএসটি’র শীতবস্ত্র বিতরণ

Kurigram

মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সাইন্স এ্যান্ড টেকনোলোজি (এমআইএসটি)-র কিছু ছাত্রছাত্রীর উদ্যোগে ‘দ্য ক্লাইমেট রিয়্যালিটি প্রোজেক্ট বাংলাদেশ’ এ বছর কুড়িগ্রামে শীতবস্ত্র বিতরণের একটি কর্মসূচী গ্রহণ করে। এলক্ষ্যে অনেক আগে থেকেই শুরু হয় রিলিফ সংগ্রহের কাজ। বারো জনের এই দল থেকে পাঁচ জন প্রতিনিধিকে পাঠানো হয় কুড়িগ্রাম। সালমান সাকিব, তানভীর পাশা, পলাশ আউয়াল, আনন দাস এবং আফসানা আলম…

কাতার থেকে তরুণ মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ইএম আকাশের নতুন ঢাকা ডাইজেষ্টকে শুভেচ্ছা

emAkash

অনলাইনে নতুন ঢাকা ডাইজেষ্টকে পাঠকদের কাছে ফিরে আসায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তরুণ মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ই, এম, আকাশ। পাঠকপ্রিয় তথ্যবহুল অনন্য ম্যাগাজিন নতুন ঢাকা ডাইজেষ্ট দেশের সীমা ছাড়িয়ে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশীদের মন ও মননে আলোড়ন সৃষ্টি করুক, তাদের নিত্য সঙ্গীতে পরিণত হোক এমন কামনা তার…

‘স্বাধীন’ সিকিম ও একজন লেন্দুপ দর্জি

kazi-lhendup-dorjee

লেন্দুপ দর্জি একটি আলোচিত নাম। আলোচিত চরিত্র। বিশ্বাসঘাতকতার প্রতীক। ভারতীয় আধিপত্যবাদের সেবাদাস। ২০০২ সালে ভূষিত হন ভারতের ‘পদ্মবিভূষণ’ খেতাবে। এক সময়ের জনপ্রিয় এই নেতাকে দেশের মানুষ সম্মানের সাথে ডাকত কাজীসাব বলে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ও ইন্দিরা গান্ধী নয়াদিল্লিতে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতেন। কিন্তু শেষ জীবনে ভারতের…

হাসিনার নয় দফা ও আন্দোলনের ধরন

farhad mazhar

বোঝা যাচ্ছে আন্দোলনের একটা বিরতি ঘটেছে। খালেদা জিয়া ১৫ তারিখে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। ২০ জানুয়ারি গণসমাবেশ ও ২৯ তারিখে কালোপতাকা মিছিল। অন্যদিকে খবর খুব দ্রুত ঘটছে। অনেক খবর তাদের প্রিন্টিং প্রেস সমেত সিলগালাও হয়ে যাচ্ছে। তিনটি বিষয় খবর হিসাবে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমটি…

আমাদের রাজনৈতিক চিন্তাচেতনা

সেটা ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাস। ঢাকা থেকে কলকাতায় যাওয়া একজন সাংবাদিক একটি পুস্তিকা লিখেছিলেন। যাতে তিনি উদ্ধৃতি দেন সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখা একটি কবিতা থেকে: বন্ধু তোমার উদ্বেগ ছাড়ো, সুতীক্ষ্ম করো চিত্ত, বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি, চিনে নিক দুর্বৃত্ত। বিষয়টি আমার কাছে বেমানান মনে হয়েছিল। কারণ সুকান্ত এই কবিতা লিখেছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে। জাপান বার্মা (মিয়ানমার) জয় করে এবং এসে যায় ব্রিটিশ বাংলার সীমান্তে। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি জাপানকে রুখবার আওয়াজ তোলে। সহযোগিতার হাত বাড়ায় ব্রিটিশ রাজের সাথে। যেটি সেই সময় এ দেশে অনেকেরই মনঃপূত হয়নি…

সুচিত্রা সেনের বড়বোন উমাদেবীর স্মৃতিচারণ

suchitra-sen

মুখে শাড়িটা গুঁজে একদৃষ্টে দেখছেন আর চোখের জল ফেলছেন তিনি। উমাদেবী, সুচিত্রা সেনের বড় দিদি। পাশ থেকে নাতনি রাইমা এসে জড়িয়ে ধরলেন মাসি-দিদাকে। “আমরা সবাই আম্মির কথা শুনতাম। কিন্তু আম্মি শুধু মাসি-দিদার কথাই শুনতেন” বলেন রাইমা। সুচিত্রা সেনরা ছিলেন পাঁচ বোন। বড় বোন উমা এবং ছোট বোন এসেছিলেন শ্মশানে। ছিলেন ছোট বোনের দুই কন্যা। এক বোনের সবে…

বাংলাদেশে সুচিত্রা সেনকে নিয়ে উচ্ছ্বাস

সিনেমা আমি বেশি দেখিনি। না দেখার একটি কারণ হলো অর্থনৈতিক। অন্য জিনিস কিনে সিনেমা দেখার মতো পয়সা আমার পকেটে থেকেছে কম। আর সিনেমা না দেখার আরেকটি কারণ ছিল, আমি যে প্রজন্মের মানুষ, সেই যুগে বাংলা সিনেমার বিষয়বস্তু ছিল হালকা প্রেমের কাহিনী; যা আমার কাছে খুব আকর্ষণীয় মনে হয়নি। আমি সিনেমা দেখেছি বিদেশী। এ ছাড়া আমার সমবয়সীরা যখন দেখেছে সিনেমা, তখন আমি থেকেছি অন্য কাজে নিমগ্ন। আমি আমার জীবনে প্রথম যে ছবিটি দেখেছিলাম, সেটি ছিল বিদেশী। আর সেটি সবাক চিত্র ছিল না…

যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট থেকে স্টেট এ সাইকেল ভ্রমণ

cycle_tour_in_usa

২০০৭ সালে ইমরান একদিন ফোন করে বললো, সে সাইকেলে বিশ্বভ্রমণে যাবে। […] তখন আমাদের সঙ্গে আমেরিকান সাইক্লিস্ট, লেখিকা সুজি বেকারের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। তিনি বোস্টনে থাকেন এবং প্রতিবছর সাত দিনব্যাপী সাইক্লিং ট্যুরের আয়োজন করেন। ২০০৭ সালেই আমরা পরিকল্পনা করি ‘ক্রস ইউএসএ বাই সাইকেল’ করার। অবশেষে সেটা বাস্তব রূপ নেয় ২০১২ সালের ১১ জুন। আমরা সিয়াটল থেকে…

মানুষ নই, যেন রোবট

ঘুম থেকে জাগি ফজরের আজানের সময়। ভোর ৬টার মধ্যে গায়ে পোশাক লাগাই (ইউনিফর্ম)। তাড়াহুড়োর মধ্য দিয়ে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে আসি সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে। ডিউটি ভাগ হলে ৮টার মধ্যেই বেরিয়ে পড়ি। নির্দিষ্টস্থানে দাঁড়িয়ে ডিউটি চলতে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। কখন ডিউটি শেষ হবে তা সবসময়ই থাকে অজানা। তবে অধিকাংশ দিনই সকালের শিফটে এলে রাত ৮টার আগে ডিউটি শেষ হয় না। তারপর আবার রাজারবাগে গিয়ে অস্ত্র-গুলি জমা দিয়ে আনুষঙ্গিক কাজ শেষে বাসায় ফিরতে ফিরতে বেজে যায় রাত ১১টা থেকে ১২টা। তখন স্ত্রী-সন্তান থাকে ঘুমিয়ে। কোনো রকম হাত-মুখ ধুয়ে খাওয়া শেষ করে ঘুমাতে যাই। ডিউটি প্রায় ১৬ থেকে ১৭ ঘণ্টা। বাকি সময়গুলোর…