Category: সাক্ষাৎকার

বাংলাদেশে মাইমের সম্ভাবনা উজ্জ্বল: পার্থপ্রতিম মজুমদার

Partha Pratim Majumder

পার্থপ্রতিম মজুমদার। এ দেশে প্রথম মূকাভিনয় শিল্পচর্চার শুরুটা তার হাত ধরেই। কলকাতা যোগেশ মাইম একাডেমি থেকে মাস্টার্স অব মাইম পাস করে ঢাকার নাট্য সংগঠন ড্রামা সার্কেলে তিনি নিয়মিত মূকাভিনয় চর্চা করতেন। ১৯৮১ সাল পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন মঞ্চে তিনি নিয়মিত একক মূকাভিনয় প্রদর্শন করেন। অতঃপর তিনি ফ্রান্সে চলে যান এবং জগদ্বিখ্যাত মূকাভিনেতা এতিয়েন…

ভারতের কর্পোরেটগুলোতে মুসলমানদের জায়গা নেই: ড. মাশিরুল হাসান

Mushirul Hasan

প্রফেসর মাশিরুল হাসান ভারতের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ। তার বাবা মুহিবুল হাসানও ছিলেন খ্যাতনামা ইতিহাসবিদ। জন্ম ১৯৪৯ সালের ১৫ আগস্ট। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ করেন ১৯৬৯ সালে। পরে ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করেন। কর্মজীবনে শিক্ষকতাকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন। ছিলেন দিল্লির বিশ্ববিদ্যালয় জামিয়া মিল্লিয়া ইসলামিয়ার ভাইস চ্যান্সেলর। ২০১০ সালে ন্যাশনাল আরকাইভস অব ইন্ডিয়ার…

বাংলাদেশ অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় দাঁড়িয়ে: ড. মীজানুর রহমান সেলী

ড. মীজানূর রহমান সেলী বিশিষ্ট রাজনীতিক ও সমাজ বিশ্লেষক। সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ, বাংলাদেশ (সিডিআরবি)-এর চেয়ারম্যান। ড. সেলীর জন্ম ১৯৪৩ সালে মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬২ সালে বি এ (অনার্স) এবং ১৯৬৩ সালে এম এ (মাস্টার্স) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। ১৯৬৪ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করলেও ১৯৬৭ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস (সিএসপি)-এর সদস্য হিসেবে চাকরি নেন। ১৯৯০ সালে মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থায় দায়িত্ব পালন করেন তিনি। যুক্ত আছেন সাংবাদিকতার সঙ্গেও। লিখছেন অসংখ্য বই। সম্প্রতি চলমান রাজনীতি নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে মিলিত হন।

মুক্তিযুদ্ধের প্রতি মুক্তিযোদ্ধারা কি পরিমাণ বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন সে হিসাব তারা করেন না: আহমদ ছফা

ahmad safa

আহমদ ছফা বাংলাদেশের একজন শীর্ষস্থানীয় সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী ছিলেন। ২০০১ সালে এই বিরল প্রতিভা ইন্তেকাল করেন এবং তার মৃত্যু ছিল এক অপূরণীয় ক্ষতি, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। ১৯৯৫ সালে দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকার পক্ষ থেকে আহমদ ছফঅর একটি সাক্ষাতকার গ্রহণ করা হয়। সাক্ষাতকারে তিনি বাংলাদেশের তখনকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি, কেয়ারটেকার সরকারের দাবীতে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর সাথে জোট বেধে আওয়ামী লীগের আন্দোলনের প্রসঙ্গও উঠে আছে তার সাক্ষাতকারে। আহমদ ছফার রাজনৈতিক বক্তব্য এখনো কালোত্তীর্ণ ও যুগোপযোগী। এই উপযোগিতা বিবেচনা করে আমরা নতুন ঢাকা ডাইজেষ্ট এর পাঠকদের জন্য সাক্ষাতকারটি পুনরায় উপস্থাপন করলাম। সাক্ষাতকারটি গ্রহণ করেছিলেন বিশিষ্ট কবি, সমালোচক ও সাংবাদিক ব্রাত্য রাইসু।

আমি লেখক হতে চেয়েছি লেখক হয়েছি: সৈয়দ শামসুল হক

Syed Shamsul Haq

২০১১ সালের ২৫ ডিসেম্বর বিকেলে সৈয়দ শামসুল হকের সঙ্গে তার বাড়িতে এক আড্ডায় মেতে উঠি আমরা। আড্ডায় অংশ নেন কবি রহমান হেনরী, ফেরদৌস মাহমুদ, অনন্ত সুজন ও জুননু রাইন। কথার ফাঁকে ফাঁকে আড্ডায় এসে যোগ দিয়েছেন কথাসাহিত্যিক আনোয়ারা সৈয়দ হক। তবে তিনি যতবারই আমাদের সঙ্গে অংশ নিয়েছেন ততবারই কোনো না কোনো খাবার নিয়ে উপস্থিত হয়েছেন। পাঠকের জন্য সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের ৭৯তম জন্মদিন উপলক্ষে সেই আড্ডারই কিছু অংশ তুলে ধরা হলো।

মকবুল ফিদা হুসেনের সাক্ষাৎকার

mahabharata by mfh

শেখর গুপ্ত: এম.এফ হুসেন দুবাইতে কি করছেন? এটাতো নিয়্যুর্ক বা প্যারিস, শিল্পকলা বিকশিত কোন পরিচিত স্থানও নয়!
মকবুল ফিদা হুসেন: আসলে আমি বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করি। গত পঞ্চাশ বছরে আমি পৃথিবীজুড়ে ঘুরে বেড়িয়েছি। আমার কোথাও কোন স্টুডিও নাই। আমি কেবল রঙ সাথে রাখি এবং উঠে পড়ি কোন হোটেল রুম অথবা কোন বন্ধুর বাড়ি অথবা যে কোথাও এবং শুধু ছবিই আঁকতে থাকি। আমার ধারণা, আমার কাজ করার ধরন একজন শিল্পীরই ধরন… ৩/৪ বছর হলো আমি এখানে এসেছি, আমার কাছে এর কারণ মনে হয়, এটা এমন এক শহর, যেটা দ্রুত সমৃদ্ধ হচ্ছে। গত ২৫ বছর ধরে আমার ভাইয়ের এখানে বসবাসের কারণে প্রায়ই এই শহরে আমার আসা হয়েছে। মরুভূমি থেকে একটা শহরে পরিণত হতে দেখেছি এখানটিকে। […] তারা পুরা স্বাধীনতা দেয়। আইন শৃঙ্খলা না ভেঙে এখানে তুমি যা খুশি করতে পারো…

বাংলাদেশীরা আমেরিকার মূলধারায় আসবে — প্রফেসর হ্যানাহ গর্ডন

haanah gordon

সমাজে এমন কিছু মানুষ থাকেন, যাঁরা নিজেরা যেমন হন আপন আলোয় আলোকিত, তেমনি সেই আলোর ঝলকানিতে উজ্জ্বল করে তোলেন তাঁদের আশেপাশের মানুষদের। তাঁদের সততা, নিষ্ঠা, আর মহানুভবতায় অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে রয় সারা বিশ্ব। তাদের সৃজনশীলতার চরম উৎকর্ষতা—ই হয় তাদের পরিচায়ক…

একতরফা নির্বাচনই অসাংবিধানিক: ড: কামাল হোসেন

ড. কামাল হোসেন

ড. কামাল হোসেন বাংলাদেশের সংবিধানপ্রণেতা হিসেবে পরিচিত। স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালে আইনমন্ত্রী এবং ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। জাতিসংঘের স্পেশাল র্যাপোর্টিয়ারের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কর্মকান্ডে সক্রিয় রয়েছেন। গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিও তিনি। ছয়জন বিশিষ্ট নাগরিকসহ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সম্প্রতি সাক্ষাতের পূর্বাপর অভিজ্ঞতা ও বর্তমানের পরিস্থিতি, রাজনৈতিক সঙ্কট এবং উত্তরণের উপায় সম্পর্কে আলোকিত বাংলাদেশের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। নতুন ঢাকা ডাইজেষ্ট এর পাঠকদের জন্য সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো: