Category: আত্মপক্ষ

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা চাই

Ibn-Golam-Samad

‘সংবাদমাধ্যম’ বলতে একসময় কেবল সংবাদপত্রকেই বুঝিয়েছে। পরে এর সাথে যুক্ত হয়েছে রেডিও। সবশেষে এর সাথে যুক্ত হয়েছে টেলিভিশন। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা আর গণতন্ত্র, এ দুটি বিষয় অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। দেশে গণতন্ত্র না থাকলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকতে পারে না। আবার সংবাদপত্রের স্বাধীনতা না থাকলে গণতন্ত্র হয়ে পড়তে চায় অচল। কেননা, ভোটাররা যদি যথাযথ সংবাদ না পেতে পারে, তবে তারা ভেবেচিন্তে ভোট দিতে পারে না। তাই গণতন্ত্রের অন্যতম সূত্র হলো…

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ইতিহাস

Ibn-Golam-Samad

ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক সময় ছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সদস্য। তার মনমানসিকতাকে বিশ্লেষণ করতে গেলে তাই জানতে হয় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ইতিহাসকে। । এ ছাড়া বিজেপির ওপর এখনো সাধারণভাবে কাজ করে চলেছে আরএসএসের বিশেষ…

জাতিসত্তা গঠনে ভাষা ও ধর্ম

রাজনীতির ক্ষেত্রে ইউরোপের কাছ থেকে আমরা দু’টি ধারণা বিশেষভাবে পেতে সক্ষম হয়েছি। যার একটি হলো জাতীয়তাবাদ আর অন্যটি হলো গণতন্ত্র। জাতীয়তাবাদ নির্ভর করে জাতিসত্তার ওপর। আবার জাতিসত্তা গড়ে ওঠে জাতীয়তাবাদী চেতনাকে নির্ভর করে। জাতিসত্তা গঠনে ভাষা পালন করে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। কিন্তু তা বলে জাতিসত্তা যে কেবল ভাষাকে নির্ভর করেই গড়ে ওঠে, তা নয়। একটি জাতি গড়ে ওঠে ইতিহাসের ধারায়; নানা ঘটনার ঘাত প্রতিঘাতে। আমরাও সেভাবেই…

গোলাপকে যে নামেই ডাকো

প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টোটল (৩৮৪-৩২২ খ্রিষ্টপূর্ব) বন্ধুত্বকে তিন ভাগে ভাগ করেছেন: প্রয়োজনের বন্ধুত্ব (Friendship of Utility); সুখের বন্ধুত্ব (Friendship of Pleasure); ও ভালো মানুষের বন্ধুত্ব (Friendship of the Good)। এর মধ্যে ‘প্রয়োজনের বন্ধুত্ব’ বলতে বোঝায়, একজন ব্যক্তি আর একজন ব্যক্তির সাথে নিজের প্রয়োজনে যে বন্ধুত্ব করে, তাকে। যেহেতু আমরা কেউই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়, তাই বেঁচে থাকতে গিয়ে এ ধরনের বন্ধুত্ব আমাদের জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়ে। ব্যবসায়িক বন্ধুত্ব হলো এই শ্রেণীভুক্ত। সুখের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে সঙ্গসুখ লাভের আকাক্সক্ষায়। অ্যারিস্টোটলের মতে, যুবকদের মধ্যে এই শ্রেণীর বন্ধুত্ব বেশি হতে দেখা যায়। কারণ যুবকেরাই সঙ্গসুখ বেশি কামনা করে থাকে। অ্যারিস্টোটলের মতে…

বাংলাদেশে সুচিত্রা সেনকে নিয়ে উচ্ছ্বাস

সিনেমা আমি বেশি দেখিনি। না দেখার একটি কারণ হলো অর্থনৈতিক। অন্য জিনিস কিনে সিনেমা দেখার মতো পয়সা আমার পকেটে থেকেছে কম। আর সিনেমা না দেখার আরেকটি কারণ ছিল, আমি যে প্রজন্মের মানুষ, সেই যুগে বাংলা সিনেমার বিষয়বস্তু ছিল হালকা প্রেমের কাহিনী; যা আমার কাছে খুব আকর্ষণীয় মনে হয়নি। আমি সিনেমা দেখেছি বিদেশী। এ ছাড়া আমার সমবয়সীরা যখন দেখেছে সিনেমা, তখন আমি থেকেছি অন্য কাজে নিমগ্ন। আমি আমার জীবনে প্রথম যে ছবিটি দেখেছিলাম, সেটি ছিল বিদেশী। আর সেটি সবাক চিত্র ছিল না…