স্বৈরাচারের দালাল বলছি

probhash-amin দেশে এখন বলতে গেলে বিরোধী দল নেই। সংসদের বিরোধী দল গৃহপালিত আর রাজপথের বিরোধী দল অথর্ব। দেশে এখন সত্যিকারের বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছে গণমাধ্যম। তাই সরকার এখন গণমাধ্যমকে গৃহপালিত বা অথর্ব বানানোর নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি গণতন্ত্রের স্বার্থে এবং ক্ষমতাসীন দলের ভালোর জন্যই দেশে শক্তিশালী বিরোধী দল এবং সোচ্চার গণমাধ্যম দরকার। মুখের ওপর ভুলটা ধরিয়ে দেয়ার কেউ না থাকলে সরকারের ভুল করার প্রবণতা বাড়ে, কাজে কর্মে এক ধরনের শৈথিল্য চলে আসে। কিন্তু ক্ষমতার চশমা চোখে লাগালেই যে কোনো দলের ভালো মন্দ দেখার দৃষ্টি গুলিয়ে যায়। যেটা নিজেদের জন্য ভালো সেটাও মন্দ লাগে। কেউ সমালোচনা করলেই, হোক সেটা গঠনমূলক, সরকার তাদের শত্রু মনে করে। একটু অসাবধানতায় ভালো উদ্যোগেও সমালোচনার বান ডাকে।

আমি কিন্তু বরাবরই বর্তমান সরকারকে মিডিয়াবান্ধব হিসেবে মনে করি এবং বিশ্বাস করি। বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংবাদিকদের সম্পর্ক বেশ উষ্ণ। সুযোগ পেলেই তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন, সাংবাদিকদের ইচ্ছামত প্রশ্নের জবাব দেন। বর্তমান সরকার অসুস্থ, অস্বচ্ছল সাংবাদিকদের জন্য একটি তহবিল গঠন করেছেন। এটা ঠিক বাংলাদেশে গণমাধ্যম এখনও শিল্প হিসেবে দাড়ায়নি। প্রিন্ট মিডিয়ার জন্য সরকার ঘোষিত ওয়েজবোর্ড থাকলেও হাতে গোনা কয়েকটি পত্রিকা ছাড়া অধিকাংশই তা মানেন না। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার তো কোনো ওয়েজবোর্ডই নেই। সাংবাদিকদের চাকরির কোনও নিশ্চয়তা নেই। মালিক চাইলে যখন তখন যে কাউকে ছাটাই করতে পারেন। ঢাকার বাইরের সাংবাদিকদের অবস্থা তো আরও করুণ। নানামুখী চাপ আর হুমকি মোকাবেলা করে তাদের কাজ করতে হয়। কিন্তু ঢাকার বাইরের বেশিরভাগ বেতন পান গার্মেন্টস শ্রমিকদের চেয়েও কম। অনেকে তো পানই না। তাই অসুস্থ ও অস্বচ্ছল সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ানোর এ উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়। কিন্তু সরকারের এমন ভালো একটি উদ্যোগও এখন তীব্র সমালোচনার তীরে বিদ্ধ।

গত ২৭ আগস্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ১৮১ জন অসুস্থ, অস্বচ্ছল, দুর্ঘটনাজনিত আহত সাংবাদিক এবং নিহত সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। সরকারের প্রধান নির্বাহী দুঃস্থ সাংবাদিকদের পাশে আছেন ভাবতে ভালোই লাগে। কিন্তু ১৮১ জনের নামের তালিকায় চোখ বোলাতে গিয়ে বারবার লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে গেছে। তালিকায় প্রতিষ্ঠিত মিডিয়া হাউসের সাংবাদিক যেমন আছেন, আছেন নাম না জানা অনলাইনের সাংবাদিকও। ১৮১ জনের সবাইকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। নিশ্চয়ই এদের মধ্যে বেশিরভাগ সত্যি সত্যি আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল।

তবে ব্যক্তিগতভাবে এমন অনেককে চিনি যাদের কাছে ৫০ হাজার বা একলাখ টাকা নিছকই হাতের ময়লা। ঢাকায় বাড়ি আছে, গাড়ি আছে, এমন অনেকের নামও আছে তালিকায়। মনে হয় অর্থনৈতিকভাবে দুঃস্থ না হলেও মনের দিক থেকে এরা সত্যি দুঃস্থ ও নিঃস্ব। ঠিকমত তালিকা করা হয়নি বলে সরকারের এমন একটি ভালো উদ্যোগেও সমালোচনার সুযোগ রয়ে গেছে। আরেকটা ব্যাপার খুব খারাপ লেগেছে, সরকার যেভাবে ফলাও করে চেক বিতরণ করেছে, তাতে সাংবাদিকদের হেয় করার একটা প্রবণতা আছে। এমন একটা ভাব, ‘দেখো তোমরা কিন্তু দুঃস্থ, অসহায়; আমরা তোমাদের সাহায্য করছি; তোমরা আমাদের সমালোচনা করো না।‘ এটাও পরোক্ষভাবে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করারই চেষ্টা।

আপনাদের পছন্দ না হতে পারে, আমি কিন্তু বর্তমান সরকারের সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে মোটামুটি সন্তুষ্ট। অন্যায়ভাবে দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি আর আমার দেশ বন্ধ না করলে মোটামুটি শব্দটা ফেলে পুরোপুরি সন্তুষ্ট বলতে পারতাম। এই যে সম্প্রচার নীতিমালা নিয়ে এত আলোচনা, সমালোচনা, প্রত্যাখ্যান- এটাও তো গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সৌন্দর্যেরই বহিঃপ্রকাশ। মন্ত্রিসভায় সম্প্রচার নীতিমালা অনুমোদিত হওয়ার পরপরই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আমি এই কলামে লিখেছিলাম ‘নীতিমালা চাই, তবে সরকারিটা নয়।’ গত কয়েকদিনে এই সম্প্রচার নীতিমালা নিয়ে রীতিমত তুলকালাম হয়েছে।

আমি সেই কলামে নীতিমালার কনটেন্ট নিয়ে কোনও আলোচনাই করিনি। কারণ নীতিমালার ব্যাপারে আমার অবস্থান ছিল, যতই ভালোই হোক, সরকারি নীতিমালা আমি মানতে রাজি নই। একই বিষয়ে আবার লিখতে বসার কারণ হলো, গত ৩০ আগস্ট সম্প্রচার নীতিমালা নিয়ে সম্পাদক পরিষদ আয়োজিত সেমিনার।

সেমিনারের বিষয়ে কথা বলার আগে দুটি কথা বলে নেই। মাননীয় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, যারা সম্প্রচার নীতিমালার বিরোধিতা করছে তারা স্বৈরাচারের দালাল। আমি শুরুতেই এই নীতিমালা প্রত্যাখ্যান করেছি। তার মানে মাননীয় তথ্যমন্ত্রীর ভাষায় আমি একজন স্বৈরাচারের দালাল। ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত জাসদ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যা করেছে, সেই জাসদ যদি আজ আওয়ামী লীগের বন্ধু হতে পারে; বাংলাদেশে হলুদ সাংবাদিকতার পথিকৃত ‘গণকণ্ঠ’এর প্রকাশক যদি আজ তথ্যমন্ত্রী হতে পারেন; তাহলে আমার স্বৈরাচারের দালাল হতে আপত্তি নেই।

স্বৈরাচারের দালাল হিসেবে খালি একটা কথা বলছি, যারা সরকারকে এমন একটি নীতিমালা করার উসকানি দিয়েছে, তারা সরকারের বন্ধু নয়। যারা সরকারের কথা শুনবে, নীতিমালা না থাকলেও শুনবে। যারা শুনবে না, শত নীতিমালা করেও তাদের পোষ মানানো যাবে না। সম্প্রচার নীতিমালার কনটেন্ট নিয়ে আমি কোনও কিছু লিখিনি। খালি একটা কথা বলতে চাই, নীতিমালা বাহুল্যে ভারাক্রান্ত। সংবিধানে ‘রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জনশৃঙ্খলা, শালীনতা বা নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ সংঘটনে প্ররোচণা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা নিষেধ সাপেক্ষে।’ সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। সংবিধানের এই তিন লাইনে সম্প্রচার নীতিমালার সব কথাই আছে। সংবিধান মেনে চললে আর নীতিমালা লাগে না। তবুও নীতিমালা আমি চাই, তবে সরকারিটা নয়।

সম্পাদক পরিষদ আয়োজিত সেমিনারে বাংলাদেশের সিনিয়র সাংবাদিক, আইনজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সেই সেমিনারে সম্পাদক পরিষদের পক্ষ থেকে সম্প্রচার নীতিমালা প্রত্যাখ্যান করে জানানো হয়েছে, সম্পাদক পরিষদ বাংলাদেশের গণমাধ্যমের জন্য একটি আচরণবিধি প্রণয়ন করবে। এখানেই আমার আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন।

একটু পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটতে চাই। গত বছর ১৮ মে বাংলাদেশের ১৬ জন সিনিয়র সম্পাদক এক বিবৃতিতে আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মুক্তি চেয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন। বিভিন্ন মতের ১৬ সম্পাদক একটি দাবিতে একমত হয়ে বিবৃতি দিয়েছেন, সেটা ছিল অভাবনীয়। তবে তাদের দাবির সাথে বিনয়ের সাথে ভিন্নমত পোষণ করে সে বছরের ২১ মে লিখেছিলাম ‘প্রিয় সম্পাদকবৃন্দ, আপনাদের দাবি প্রত্যাহার করুন’। সেই লেখায় আমি বলেছিলাম, এই ১৬ জনের সাথে যদি আরো কয়েকজন যুক্ত হয়ে একটি ফোরাম করেন, তাহলে সেটি হতে দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী পেশাজীবী সংগঠন। সে লেখায় বলেছিলাম ‘সম্মানিত সম্পাদকবৃন্দ, আপনারা যা বলবেন তাই শুনব, প্রয়োজনে আপনাদের সম্ভাব্য ফোরামের কেরানির কাজটি করে দিব’।

আমি নিশ্চিত ১৬ সম্পাদকের কেউ আমার লেখাটি পড়েননি। কিন্তু আমাকে বিস্ময়ে অভিভূত করে ২৫ মে গঠিত হয় সম্পাদক পরিষদ। আমার আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে মিলিয়ে দেশের মূলধারার প্রায় সব সম্পাদককে এতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়।

উল্লাসের আতিশয্যে ৩০ মে লিখেছিলাম ‘সম্পাদক পরিষদ: প্রত্যাশার বাতিঘর’। দুটি লেখাই গত বইমেলায় অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত আমার বই ‘প্রধানমন্ত্রীই যেখানে অসহায়’এ আছে। আমার প্রথম লেখাটি না পড়েই তারা আমার প্রত্যাশা পূরণ করে দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় লেখায় যে প্রত্যাশার কথা বলেছিলাম, সে প্রত্যাশাও, একবছরের বেশি সময় পর হলেও পূরণ হতে যাচ্ছে। আমার আসলে আনন্দের সীমা নেই। ব্যস্ত সম্পাদকদের আমার লেখা পড়ার সময় নেই। কিন্তু তারা আমার প্রত্যাশা মিটিয়ে দিচ্ছেন, তাতেই আমি আপ্লুত।

‘সম্পাদক পরিষদ: প্রত্যাশার বাতিঘর’ শিরোনামের লেখার কিছু অংশ এখানে উদ্ধৃত করার লোভ সামলাতে পারছি না ‘সম্পাদক পরিষদের কাছে আমাদের প্রধান আকাঙ্ক্ষা- দেশের গণমাধ্যমের জন্য একটি অভিন্ন নীতিমালা নির্ধারণ। … বাংলাদেশে সাংবাদিকদের পালনীয় কোনো নীতিমালা নেই। প্রেস ইনস্টিটিউট বা প্রেস কাউন্সিলকে ঠুঁটো জগন্নাথ বললেও কম বলা হবে। আর সরকার গণমাধ্যমের ব্যাপারে ন্যায্য কথা বললেও আমাদের কাছে সেটা বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ মনে হয়। তাই সাংবাদিকরা কী করবেন, না করবেন তার নির্ধারক হতে পারে সম্পাদক পরিষদ। … সম্পাদক পরিষদ যদি সত্যি সত্যি তাদের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে পারে, তাহলে আমাদের আর কোনও চিন্তা নেই। তারাই ঠিক করে দেবেন কোনটা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা আর কোনটা স্বেচ্ছাচারিতা, কোনটা ঠিক আর কোনটা বেঠিক।

এখন একই ইস্যুতে একেক পত্রিকা একেক রকম রিপোর্ট করে। কেউ লাশের ছবি ছাপে, কেউ ছাপে না। কেউ ধর্ষিতার নাম লেখে, কেউ লেখে না। এখন যারা লাশের ছবি ছাপে বা ধর্ষিতার নাম উল্লেখ করে তাদের কাছে যদি প্রশ্ন করা হয়, কেন তারা ছেপেছে? তারা যদি উত্তর দেয়, লাশের ছবি ছাপা যাবে না বা ধর্ষিতার নাম উল্লেখ করা যাবে না, এমন কোনও কথা আছে নাকি। তাহলে? এ কারণেই সম্পাদক পরিষদ এত গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিষদ বাংলাদেশের সকল গণমাধ্যমের জন্য একটি অবশ্য পালনীয় নীতিমালা ঠিক করে দিতে পারে।

গণমাধ্যম কিভাবে চলবে সেটা যদি তথ্যমন্ত্রী ঠিক করে দেন, তাহলে সেটা যত ন্যায্যই হোক, আমরা সেটা মানবো না। সেটা হবে মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ। কিন্তু সেই একই কথা যদি মতি ভাই, মাহফুজ ভাই, সারওয়ার ভাই, রিয়াজ ভাই বলেন; আমরা সেটা মাথা পেতে নেব। সম্পাদকদের এই পরিষদ সবার কাছে শ্রদ্ধেয়। কারণ এখানে সব মতের মানুষ আছেন।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নামে যখন ব্যক্তির চরিত্র হনন করা হয়, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রিপোর্ট করে যখন প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার চেষ্টা করা হয়; সেই সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা কোথায় যাবেন, কার কাছে প্রতিকার পাবেন? অনেকেই এ ধরনের সংক্ষুব্ধদের প্রেস কাউন্সিলে যাওয়ার পরামর্শ দেন। আমি কখনও দেই না। আমি জানি সেখানে যাওয়ার চেয়ে সুন্দরবনে গিয়ে কিছুক্ষণ কান্নাকাটি করে আসা অনেক কাজের।

বিশৃঙ্খলা এমন পর্যায়ে গিয়েছে যে, সাভারে উদ্ধারকর্মীদের সরিয়ে রেখে সাংবাদিকরা ঢুকে যান সুড়ঙ্গে, জুতা পায়ে কবরে নেমে পড়েন কেউ কেউ। আমি আসলে রিপোর্টারদের দোষ দেই না। কোনটা ভালো, কোনটা মন্দ; কোনটা উচিত, কোনটা অনুচিত- কেউ তো জানি না। আমাদের কেউ বলে দেয়নি। যিনি যেটা ভালো মনে করেন, তিনি সেটাই করেন। অভিন্ন কোনো প্লাটফরম নেই বলেই সবাই আমাদের জ্ঞান দেন। তথ্যমন্ত্রীও জ্ঞান দেন, আদালতও সীমানা ঠিক করে দেন। কিন্তু আমরা তথ্যমন্ত্রী বা আদালতের নির্দেশনা মেনে সাংবাদিকতা করব না। আমরা মানব সম্পাদকদের কথা। এই সুযোগ বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসার।

সারাদিন কাজ বা ইউনিয়নবাজি যাই করি অফিসে ফিরে তো আমাদের নিজ নিজ সম্পাদকের নির্দেশই মানতে হয়। এখন যদি সব সম্পাদক মিলে অভিন্ন নির্দেশনা দেন, আশা করি কারোরই তা মানতে আপত্তি থাকবে না।’ কিন্তু আমি এখনও মনে করি, সম্প্রচার নীতিমালা নিয়ে যে বিতর্ক তার সবচেয়ে সহজ সমাধান হলো সম্পাদক পরিষদের করে দেওয়া সম্ভাব্য আচরণবিধি। অপেক্ষায় থাকলাম সম্পাদক পরিষদ প্রণীত আচরণবিধির।

লেখক: সহকারী বার্তা প্রধান, এটিএন নিউজ
ইমেইল: probhash2000@gmail.com