ডেমোসাইড: সরকারি হত্যা

MINOLTA DIGITAL CAMERA

books অতীত ও বর্তমানের রাষ্ট্রব্যবস্থায় গণহত্যা, অত্যাচার, অনাচার, ধর্ষণ, লুণ্ঠন ও গুম চলছে নিরবচ্ছিন্নভাবে। যুদ্ধ বা বিপ্লব হয় কখনো কখনো। দুই প্রক্রিয়াতেই জীবন নাশ ঘটে। একজন বিখ্যাত অনুসন্ধানকারী, ড. রুডলফ যোসেফ রামেল (Rudolph Joseph Rummel) প্রথমবারের মতো জানার চেষ্টা করেন কোন প্রক্রিয়ায় বেশি জীবনহানি হয় – সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায়, না যুদ্ধ-বিগ্রহ-বিপ্লব-অভ্যুত্থানে? আট বছরের অনুসন্ধানে তিনি উপসংহারে পৌঁছলেন, রাষ্ট্রব্যবস্থায় হত্যাকাণ্ড যুদ্ধ বা অভ্যুত্থানের হত্যাকাণ্ডের চেয়ে অন্তত ছয় গুণ বেশি। কারণ অত্যন্ত সহজ। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় যে হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটে তা নিরবচ্ছিন্ন, সারা বছর ধরে ঘটে। যুদ্ধ হয় অন্য রাষ্ট্রের সাথে কখনো কদাচিৎ। আর জন-অভ্যুত্থান রাষ্ট্রের ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে ঘটে – তাই মৃতের সংখ্যা হয় নগণ্য। ড. রামেল লক্ষ করলেন যুদ্ধ, অভ্যুত্থান, গণজাগরণ নিয়ে ইতিহাস যত ব্যস্ত ও সোচ্চার, প্রতিদিনের মৃত্যুগুলো নিয়ে তেমন নয়। আর সংখ্যার দিক দিয়ে, ইতিহাস কখনোই কোন রাষ্ট্রপতি, রাজা, শেখ প্রতিদিন কত হত্যা করল, তার বার্ষিক মোট সংখ্যার কোনো হিসাব রাখে না।

ড. রামেল আট বছর ধরে প্রতিদিন খবরের কাগজ, পুরনো নথি, ইতিহাস ও বক্তব্য গভীরভাবে পর্যালোচনা করে একটি বিশাল তথ্যভাণ্ডারের ভিত্তিতে ‘ডেমোসাইড : সরকারি হত্যা’ নামে চারখণ্ডে একটি বই লিখেছেন। এখন পশ্চিমা বিশ্বে এই বক্তব্য আলোচনার এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।

ড. রামেল চলমান রাষ্ট্রানুকল্যের হত্যাকাণ্ডগুলোকে ‘ডেমোসাইড’ বলে উল্লেখ করেন। শব্দটি ইংরেজি ভাষায় নতুন সংযোজন। সাথে সাথে এ শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হতে থাকে। রামেল আর একটি শব্দও উপহার দিয়েছেন। তা হলো, ‘মরটাক্রেসি’। এ দুয়ের (Democide and mortacracy) মাঝে পার্থক্য হলো প্রথমোক্তটি হচ্ছে ক্ষমতাসীন দ্বারা ইচ্ছাকৃত হত্যা। আর অপরটি অনিচ্ছাকৃত। তবে দুই প্রকারেই হত্যার সংখ্যা বিশাল।

যখন কোনো দল ক্ষমতা দখলের উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমকে ব্যবহার করে এবং সে প্রক্রিয়া ক্ষমতারোহণের পরেও বিরতিহীন চলতে থাকে, সে হত্যাকাণ্ডগুলোকে তিনি ‘ডেমোসাইড’ বলেছেন এবং বিশ্বব্যাপী এই প্রক্রিয়াই বেশি সঞ্চরণশীল। যে দেশের সরকার যত স্বৈরাচার সেখানে এই ডেমোসাইড কর্মকাণ্ড তত প্রবল এবং এসব সরকার হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটায় সাধারণত প্রতিবাদী ও প্রতিপক্ষকে নির্মূল করতে। তারা এজন্য ক্ষমতায় গিয়েই সর্বাগ্রে সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ বাহিনীসহ সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে একান্ত নিজের মানুষ দিয়ে গড়ে তোলার চেষ্টা করে। অথবা বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণে ব্যস্ত হয়। ফলে হত্যাকাণ্ডগুলো তারা ঘটালেও, তারা দোষ-দায়িত্ব চাপিয়ে দেয় প্রতিপক্ষ বা প্রতিবাদীদের ওপর, যারা এর প্রধান শিকার। এমনকি বিচারালয়কে তারা পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। বিচারব্যবস্থা প্রায়ই সরকারি ইচ্ছার পরিপূরক হয়।

ড. রামেল অনুসন্ধানে দেখতে পান, যে সরকার যত অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী, সেখানে এমন হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা ততোধিক। এমন সরকার যদি গণতন্ত্রের পোশাকধারী হয়, তারা হয় সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অধ্যাপক আর একটি প্রণিধানযোগ্য মন্তব্য করেছেন। ‘উদার গণতন্ত্রে এমন হত্যাকাণ্ড বিরল। কারণ সেখানে পরমতসহিষ্ণুতা ও গণতান্ত্রিক সহনশীলতা সাধারণ ও রাজনৈতিক জীবনের প্রধান মাপকাঠি।’ এই সহনশীলতার অভাব ও অনৈতিক ভোগের চিকীর্ষা ক্ষমতাবানদের হত্যাকারী, অত্যাচারী ও অনাচারী হিসেবে আবির্ভূত হতে উৎসাহ জোগায়। তারা প্রতিপক্ষ বা প্রতিবাদকে সহ্য করতেই পারে না। একে প্রতিহত করার সহজ পন্থা হিসেবে তারা হত্যাকাণ্ডের মতো নির্মূলের পথ বেছে নেয়। এর ফলে জন্ম নেয় অসন্তোষ অশান্তি। আর তা নির্মূল বা দমনের জন্য রাষ্ট্রীয়শক্তির অনৈতিক ব্যবহার বাড়ে। অনাচার-অত্যাচার, প্রতিবাদ ও হত্যাকাণ্ড তখন চক্রাকারে আবর্তনশীল হয়।

পশ্চিমা বিশ্বের নেতৃত্বে এই আবর্তনশীল ভয়াবহ কর্মকাণ্ডগুলোর বর্ণনার পরিবর্তন ঘটেছে সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে। এখন একে ‘জঙ্গিবাদ’ বলা হচ্ছে। যখনই রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ হচ্ছে, তাকে ‘জঙ্গিবাদ’ আখ্যায়িত করে কখনো হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে, কখনো নিবর্তন নির্যাতন করে নিয়ন্ত্রণ বা অবস্থার পরিবর্তন করার চেষ্টা হয়। অধুনা হত্যাকাণ্ডগুলো ‘এনকাউন্টার’ পদ্ধতিতে হচ্ছে। ‘এনকাউন্টার’ হলো মুখোমুখি যুদ্ধ। অথচ যে ব্যক্তিই এ পদ্ধতিতে মারা গেল সে সরকারি বাহিনীর হাতে বন্দী ও কড়া পাহারায় ছিল। সে কেমন করে যুদ্ধ করল তার জবাব দেয়ার প্রয়োজন বোধ করে না কর্তৃপক্ষ। তবে কোনো কোনো সময় নিজেদের মাঝে নকল মুখোমুখি গোলাগুলি করে এই ‘এনকাউন্টার’কে আইনসিদ্ধ হিসেবে জাহির করে।

ড. রামেল দেখিয়েছেন, বিংশ শতাব্দীতে (১৯০০-৯৯) ডেমোসাইড হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা এ সময়ের সব যুদ্ধের হতের সংখ্যার চেয়ে ছয় গুণ। এমনকি ঝড়-দুর্ভিক্ষেও এত মানুষের মৃত্যু ঘটেনি। এ সময়ে বিশ্বের দুই ডজন দেশেই হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা ২৬ কোটি ২০ লাখ। সরকার সরাসরি এই হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটিয়েছে। মৃত ব্যক্তিরা ছিল সরকারের অপছন্দের মানুষ বা প্রতিপক্ষ। এক দিকে ভীতি সৃষ্টির জন্য ধরপাকড়-গুম-হত্যা চালু রেখেছে, অপর দিকে তাদের মতলব-ইচ্ছা-নিয়ম চাপিয়ে দিয়েছে সবাইকে তাদের অনুসারী বানানোর চেষ্টায়। সাফল্য বেশির ভাগ সময়েই হয়েছে অস্থায়ী। এক সময়ে এসব ক্ষমতাধরের ইতি ঘটেছে, সাফল্য হারিয়ে গেছে অথবা তারা পোশাক পাল্টিয়েছে। রামেল বলেছেন, এ অবস্থা শুধু বিংশ শতব্দীতেই বিরাজমান ছিল, তা নয়। তার আগে এ অবস্থা ছিল আরো ভয়াবহ। তবে বিজ্ঞানের উন্নতির কারণে অতীতের ভয়াবহতার চেয়ে বর্তমান অবস্থা বেশি ভয়ঙ্কর, তবে তা স্বল্পসময়ে সংঘটিত হয়। যেমন হিরোশিমা-নাগাসাকিতে যে হত্যাকাণ্ড মাত্র ক’ মিনিটে ঘটে, তা ঘটতে অতীতে বেশ কয়েক বছর লাগত।

রামেল দেখিয়েছেন, গত শতাব্দীর আগের ১৫০ বছরে বিশ্বের সরকারগুলো অন্তত ২০০০ কোটি মানুষ হত্যা করেছে শুধু ক্ষমতা ও দেশ দখলের জন্য। কখনো কখনো সম্পূর্ণ জনপদ নির্মূল করা হয়েছে।

‘ডেমোসাইড : সরকারি হত্যা’ শীর্ষক বইতে কোন সরকার কত হত্যা করেছে, তার বিস্তৃত বিবরণ দেয়া হয়েছে। তবে রামেল বলেছেন, সঠিক সংখ্যা নির্ণয় কঠিন, কেননা এর প্রকৃত তথ্য রক্ষা করা হয়নি বা করতে দেয়া হয়নি। এখানে কয়েকটি উদ্ধৃত করা হলো।

তার হিসাব অনুসারে বিংশ শতাব্দীতে চীনের সরকার (১৯২৮-৮৭) হত্যা করে ৭,৩০,০০,০০০; সোভিয়েত রাশিয়া হত্যা করে ৬,৮০,০০০; (জার্মানি) নাজি সরকার ১,০২,১৪,০০০; জাপান সরকার ৫৯,৬৪,০০০; খেমাররুজ ২০,৩৫,০০০; ভিয়েতনাম ১৬,৭০,০০০, পোল্যান্ড- ১৫,৮৫,০০০, যুগোস্লাভিয়া ১০,৭২,০০০; কোরিয়া ১৬,৬৩,০০০; পাকিস্তান ১৫,০৩,০০০; মেক্সিকো ১৪,১৭,০০০ এবং অন্যান্য সরকার। সব মিলে রামেলের অনুসন্ধানে প্রায় ১০০ বছরে ২,৬২,০০,০০০ মানুষকে বিভিন্ন সরকার শুধু ক্ষমতার জন্য হত্যা করেছে। রামেল লিখেছেন, এ শতাব্দী (বিংশ শতাব্দী) ছিল রাষ্ট্রযন্ত্রের হত্যার ইতিহাস। আর যারা সহযোগী ছিল তারাও রাষ্ট্রের প্রকারান্তরে অংশ, যেমন ডেথ স্কোয়াড, ক্ষমতাসীন দলের সশস্ত্র ক্যাডার অথবা ভাড়াটে গেরিলা। এই সহযোগীরা গণহত্যায় নিয়োজিত ছিল। এরা ডেমোসাইডের এক-চতুর্থাংশ মানুষ হত্যা করে, যা গণহত্যা (Genocide) বলে পরিচিত। এক অনুসন্ধান রিপোর্টে দেখা গেছে, বিশ্বের প্রতিটি মহাদেশে বারবার গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে। ১৯৪৫-৮৮ মধ্যে অন্তত ২০টি গণহত্যায় ১৯০০-৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধে মৃতের সংখ্যার চেয়ে চার গুণ হত্যা করা হয়। এমনকি ইউরোপেও ১৯৯২ পরে কয়েকটি গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে। তবে এসব হত্যাকাণ্ডের মূলে ক্ষমতা দখল, রাজ্যদখল ও মতবাদ প্রতিষ্ঠা থাকলেও এগুলোর আকার-আকৃতি ছিল পৃথক। বিংশ শতাব্দীর আগে ছিল রাজতন্ত্র বা এমন শাসন, যেখানে রাজা বা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারীর ইচ্ছাই ছিল আইন। যেমন চেঙ্গিস খানের জামাই নিশাপুরের এক দেয়ালের নিকট দাঁড়িয়ে ছিল। ১২২১ সালে একটি তীর এসে (কে ছুড়েছিল তার বর্ণনা নেই) তাকে হত্যা করে। এর প্রতিশোধে খোরাসানের রাজধানী নিশাপুর দখল করে চেঙ্গিস খান এর প্রতিটি নাগরিককে নির্মমভাবে হত্যা করে। মৃত দেহগুলো পিরামিডের আকারে সাজিয়ে রাখা হয়। এক হিসাবে সে দেশের ১৭,৪৭,০০০ লোক হত্যা করা হয়েছিল। অথচ এটা কোনো যুদ্ধ ছিল না।
রামেল লিখেছেন, মোঙ্গল খানেরা তাদের সাম্রাজ্যকালে অন্তত তিন কোটি পারসিক, আরব, রুশ, চীনাদের হত্যা করেছে শুধু তাদের শাসন চালু রাখতে। কুবলাই খান তার শাসন রক্ষার জন্য অন্তত ১.৫০ কোটি চীনা হত্যা করে। এ ব্যাপারে খ্রিষ্টান হিন্দু বৌদ্ধরাও পিছিয়ে নেই। যেমন খ্রিশ্চিয়ান ক্রুসেডারেরা ১০৯৯তে জেরুসালেম দখলের পর ৭০ হাজার মুসলমান হত্যা করে ছিল। রামেল বলেছেন, এখানে-সেখানে ছোটখাটো উদ্ধৃতি ছাড়া এ হত্যাকাণ্ডের বিবরণ ঐতিহাসিকেরা এড়িয়ে গেছেন। তারা ক্রুসেডের যুদ্ধের বর্ণনা দিয়েছেন। তার পরবর্তী হত্যাকাণ্ডের বিবরণ এড়িয়ে গেছেন।
ইউরোপীয়রা কি পিছিয়ে? না, রামেল বলেছেন, ১৫২৭ সালে যখন বুরবনের ডিউক চার্লস ও তার সহযোগীরা রোম দখল করে, তখন হাজার হাজার মানুষ হত্যা করে তাদের মৃতদেহ তাইবার নদীতে ফেলে দেয়। এমনভাবে বোহেমিয়া জনশূন্য করা হয়।
শুধু সরকারই হত্যা করেনি। অনেক সময় বিদ্রোহীরাও এমন হত্যাকাণ্ড ঘটায়। যেমন, আমেরিকার ইউটাতে মরমনরা শত শত জেন্টিলকে হত্যা করে। আবার দখলদার ডাচ বাহিনী বোর্নিও ও জাকার্তার হাজার হাজার অসহায় মানুষকে হত্যা করেছে। সারাওয়াকের ব্রিটিশ রাজা স্যার জেমস ব্রুক শান্তি রক্ষার নামে সমুদ্রতটের ডাইক সম্প্রদায়কে নিশ্চিহ্ন করে দেয়।
বিজ্ঞানের উন্নতির কারণে এ ডেমোসাইডেরও বিস্তৃতি ঘটেছে। অবাধ্য জনগণ বা প্রতিবাদী গোষ্ঠী অন্য কোনো দেশের হলে, তখন হাজার হাজার মাইল দূর থেকে বিমান পাঠিয়ে হত্যাকাণ্ড চালানো হচ্ছে। যেহেতু এটা ইচ্ছাকৃত, এ হত্যাকাণ্ডগুলো ডেমোসাইড। এর বিস্তৃতি ঘটছে তৃতীয় বিশ্বে।
রামেল বলেছেন, সরকারি হত্যাকাণ্ডের আকৃতি ও বিস্তৃতি এখন পৃথক হবে এবং এর সহায়তায় থাকবে গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগ। এক দিকে যেমন মানুষে মানুষে যোগাযোগের মাধ্যমের বিস্তৃতি ঘটছে, তেমনি অপর দিকে এর নিয়ন্ত্রণও বহুমাত্রিক হবে। তবে সবার উদ্দেশ্য একটিই, তা হলো তথ্যপ্রবাহের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বিশেষ করে সত্য তথ্য।
এ অবস্থার কি পরিবর্তন হবে না? সাধারণ মানুষ কি কথা বলতে পারবে না? স্বাধীনতা চাইবে না? অধ্যাপক রামেল তার সমাধান একটি বাক্যে দিয়েছেন। “সমস্যা হলো ক্ষমতার, সমাধান হোক গণতন্ত্রে (উদার) এবং বর্তমান কর্মকাণ্ড হতে হবে স্বাধীনতার জন্য সব সাহায্য দেয়া।”
তাই তথ্যপ্রবাহ বন্ধ করার যেকোনো প্রচেষ্টা হোক না, তাকে প্রতিহত করার চেষ্টা চালাতে হবে। কারণ যারা এ অধিকার ছিনতাই করতে চাইছে, তারাও যে এর শিকার হবে না, তার নিশ্চয়তা কী?