তার মুখ তার সুষমা


বিষ্ময় আর বিষ্ময়বোধের নাম। পাখি ও পালক। রক্তকলমের ধ্যান।
আলো অধ্যয়ন। শিখরে রূপ, তুরূপের তাস। পাহাড় আর পাথর ফুঁড়ে
কালামের গাছ। ভাসে ফুল, কোমল পদ্মযোনি। মন্দ্রমুগ্ধ নিষাদের ভাষা।
তার জিন ধরে শেষ শহীদের চার্বাক। থাকে শুধু তামা আর লিপি।


সেই জন্ম আর জন্মবিরোধের বীজ! কয়েদিদের গ্রাম, ফেরারি ছায়ারা।
দিকে দিকে ছড়ানো কাফ্রি- কৌম দাস। কুমারী আসছে নপুংসক ছেড়ে।
বিছানায় বিহ্বল বাঘ আর বাজ। ওপেরা খোলো। বিবসনা থাকো!
ভূর্জপত্র সাজিয়ে বসে থাকবে কুমীর ও জোকার ।


শাস্তিতে গেঁথেছো। ভরছো আগুন ও খাতা। দরবারে কুহু, চিল আর শুকুন।
পালায় ঘাসের সুষমা। যত তরবারি তত শান্তি, জবান। গোপন চিঠিগ্রহণ,
বন্ধ প্রাপকের মাথা। জাগে জঙ্গীনামা। পারাপারের মেহিকো এসেছে হলুদে।
কোথায় মালভূমি? গুপ্ত সিপাহিদের বুটে ভরে ‡M‡Q- অজন্তা আর নকসি।


তন্দ্রা লেখো। মিছিলে প্রাচীর। শত দুর্বাশিশু ফিরিয়ে এনেছে চাঁদ।
লেখো- কারা কামান দাগে, কারা কার্তুজবনে ঘুমায়। সিংহাসন, পঞ্জিকা
তার মখমল, তার ঘুম ঘুম আবাবিল । যে জাহাজ হারায় সাগরে
তার পতাকা ধরে বাদ্য বাজে। মিনারে মিনারে মুখ জ্বলে, শান্ত শিকার।


আমি লিখছি তোমাকে। তুমি কি আমাকে ডাকো? তুমি কি প্রাচীন গাছের
বীজ ধরে উঠে আসো- শুরু ও শেষ? আমাতে ফলো। সর্বত্র রূপ রস তোমার।
জ্বলে, পোড়ে বন্দিসে, মেয়েদের কামিজে। পরাগ আর রেণু। দাও গোপন পরাগায়ন।
যে নিস্তব্ধ, তার বেহালাকাঠে অমৃত, গান। পাতায় পাতায় তবু হাওয়া ও সাপ!